ঢাকার মিরপুরে থাকা রাফিউল ইসলামের বয়স মাত্র ২৮। ছোট থেকেই ক্রিকেটের প্রতি তাঁর অদম্য আগ্রহ। তিনি নিজে মাঠে খেলতেন, পরিসংখ্যান মুখস্থ করতেন, খেলোয়াড়দের ফর্ম নিয়ে বন্ধুদের সাথে তর্ক করতেন। একদিন বন্ধুর পরামর্শে k 7777-এ নিবন্ধন করলেন।
প্রথম দিকে তিনি সতর্ক ছিলেন। ছোট ছোট বাজি দিয়ে শুরু করলেন। লক্ষ করলেন যে যখনই তিনি শুধু নিজের অনুমানের উপর নির্ভর না করে বরং পিচ রিপোর্ট, ডিউ ফ্যাক্টর এবং টিম নিউজ একসাথে বিবেচনা করেন, তখন ফলাফল ভালো হয়। ধীরে ধীরে তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়তে লাগল।
তিন মাসের মধ্যে রাফিউল মোট ৪৭টি বেট দিয়েছেন। এর মধ্যে ৩১টিতে জিতেছেন — সাফল্যের হার প্রায় ৬৬%। তিনি বলেন, "আমি কখনো পুরো ব্যাংকরোল এক বেটে রাখি না। প্রতিটি বেটে আমার মোট ব্যালেন্সের ৫ থেকে ১০ শতাংশের বেশি ব্যবহার করি না।"
রাফিউলের সবচেয়ে বড় জয় এসেছে BPL-এর একটি ম্যাচে। ম্যাচের আগে পিচ রিপোর্টে দেখলেন উইকেটে ঘাস আছে, আবহাওয়া মেঘলা। তিনি পেস-বোলিং দলের পক্ষে বাজি ধরলেন এবং সেই রাতেই তাঁর অ্যাকাউন্টে এল ৳৩২,০০০।
রাফিউলের ব্যাংকরোল ম্যানেজমেন্ট টেবিল
| মাস | মোট বেট | জয় | হার | নেট আয় |
|---|---|---|---|---|
| প্রথম মাস | ১৫টি | ৯টি | ৬টি | ৳১৮,৫০০ |
| দ্বিতীয় মাস | ১৬টি | ১১টি | ৫টি | ৳২৮,০০০ |
| তৃতীয় মাস | ১৬টি | ১১টি | ৫টি | ৳৩৮,৫০০ |
k 7777-এর ম্যাচ অডস পেজের সরাসরি ডেটা ব্যবহার করে রাফিউল তাঁর বিশ্লেষণ করেন। প্ল্যাটফর্মের লাইভ আপডেট এবং দ্রুত অডস পরিবর্তনের সুবিধা তাঁকে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।